( Education Cadre Facilities)সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারদের সুযোগ-সুবিধা সমূহ
পরিচিতিঃ-(Introduction)
একটি জাতির উন্নতি পুরোটা তার শিক্ষার মানের উপর নির্ভর করে। উন্নত শিক্ষাই পারে উন্নত এবং জ্ঞানী জাতি তৈরি করতে। আর এই উন্নত জাতি গঠনের সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে কাজ করেন একজন শিক্ষক।আবার শুধু নামমাত্র শিক্ষক হলেই জাতির উন্নতি সম্ভব হয় না বরং জ্ঞানী, আদর্শবান শিক্ষকই পারেন জাতির হাল ধরতে।
উন্নত জাতি গঠনে বাংলাদেশ সরকার অনেক রকম প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে্ন দিনের পর দিন। সেই ধারাবাহিকতায় জাতিকে উন্নত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শিক্ষা ক্যাডার ব্যবস্থা চালু করে। পেশাগত সম্মানের তালিকায় এই ক্যাডাররা অতুল্য সম্মানের অধিকারী বলে বিবেচনা করা হয়।
পদক্রমঃ-(Rank of Education cadre)
এই ক্যাডারে পদন্নোতি দুই ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। একটি কলেজ পর্যায়ে অপরটি অধিদপ্তর পর্যায়ে।
কলেজ পর্যায়েঃ-
প্রভাষক << সহকারী অধ্যাপক << সহযোগী অধ্যাপক << অধ্যাপক
অধিদপ্তর পর্যায়েঃ-
সহকারী পরিচালক << উপপরিচালক << পরিচালক << অতিরিক্ত মহাপরিচালক << মহাপরিচালক।
পোস্টিংঃ-(Posting of Education cadre)
বিভিন্ন সরকারী কলেজে প্রভাষক হিসেবে অথবা শিক্ষা অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে।
সুবিধাঃ-(Advantage of Education cadre)
উচ্চ শিক্ষার উত্তম সুযোগ পাবেন।
শিক্ষার্থী, অভিভাবক থেকে শুরু করে সকল পর্যায়ের মানুষের কাছে সম্মান পাবেন।
সর্বোচ্চ সংখ্যক ছুটি কাটাতে পারবেন।
টিউশন করায়ে বাড়তি আয়ের সুযোগ পাবেন।
সিনিয়র শিক্ষক হলে অধিদপ্তরে যোগদানের সুযোগ পাবেন।
পদন্নোতি বেশ ভালো।
চাকরি জীবন এবং পারিবারিক জীবন আলাদা রাখতে পারবেন।
সুবিধামত চাকরি স্থানান্তরের সুযোগ পাবেন।
অসুবিধাঃ-(Disadvantage of Education cadre)
পরীক্ষার সময় একটু বেশি চাপে থাকতে হয়।
সাধরণ একজন শিক্ষকের মত জীবন অতিবাহিত করতে হয় কেনোনা ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ নেই।
লজিস্টিক সুবিধা থাকে না।

কোন মন্তব্য নেই